নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: গ্যাসের চাপে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার বরপা এলাকায় বিকট শব্দে একটি দ্বিতল ভবনে বিস্ফোরনে বাড়ীর একপাশের সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে গেছে। পাশাপাশি এই ঘটনায় দগ্ধ হয়েছেন মামা ভাগ্নে।
শুক্রবার (১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ৩ টায় বরাব কবরস্থানে রোডে কয়েকবছর পূর্বে নির্মিত কুয়েত প্রবাসী আবুল খায়েরের কুমিল্লা হাউজ নামক দ্বিতল ভবনে বিকট শব্দে এই বিস্ফোরনের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরনে দগ্ধ মামা-ভাগ্নে কে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

আহতরা হলেন, আয়নাল হক (৩০) ও ইব্রাহীম মিয়া (২৫)। তাদের শরীরের প্রায় অর্ধেকাংশ পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন ঢামেক বার্ন ইউনিটের কর্তব্যরত চিকিৎসক।

এদিকে এই ঘটনায় প্রথমে বিস্ফোরক জাতীয় কোন দ্রব্যে বিস্ফোরনের ঘটনা ঘটে থাকার আশংকায় ভোর থেকে বাড়ীটি ঘিরে রাখে আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা। এমনকি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাড়ীর মালিক ও কেয়ারটেকারকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে সংবাদ পেয়ে ঢাকা থেকে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। কিন্তু বিস্ফোরনের ঘটনায় কোন ধরনের বিস্ফোরক দ্রব্যের আলামত পাননি বলে সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো: মঈনুল হক।

পুলিশ সুপার সাংবাদিকদের জানান, ‘বরাব কবরস্থানে রোডে কয়েকবছর পূর্বে নির্মিত কুয়েত প্রবাসী আবুল খায়েরের দ্বিতল ভবনে শুক্রবার ভোর ৩টায় বিকট শব্দে বিস্ফোরন ঘটে। দ্বিতীয় তলার একটি ইউনিটে বসবাস করেন আবুল খায়ের ও তার স্ত্রী, আরেকটি ইউনিটে থাকেন আবুল খায়েরের শ্যালত আয়নাল হক ও পুত্র ইব্রাহীম মিয়া। বিস্ফোরনে আয়নাল ও ইব্রাহীম দগ্ধ হয়েছেন। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।’

ঢাকা থেকে আগত বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের বরাত দিয়ে মঈনুল হক আরো জানান, ‘বিকট শব্দে বিস্ফোরন ঘটার কারনে প্রাথমিক পর্যায়ে এক্সক্লুসিভ জাতীয় কিছু ধারনা করা হয়েছিল। কিন্তু বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল পরিদর্শন শেষে জানিয়েছে এখানে গ্যাসের লাইন থেকে বিস্ফোরনের ঘটনা ঘটেছে। বোমা বা এক্সক্লুসিভ জাতীয় কিছু পাওয়া যায়নি।’

এসপি জানান, ‘বিস্ফোরনের ঘটনা তদন্তে অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোস্তাফিজুর রহমানকে প্রধান করে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here