নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার প্রায় দেড় মাস পর অনুষ্ঠিত ওয়ার্কিং কমিটির প্রথম বৈঠকের সিদ্ধান্তই যথাসময়ে বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলেও অত:পর সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে শনিবার ৩ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণে টুঙ্গিপাড়ায় যাচ্ছে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ।
এইলক্ষ্যে ইতিমধ্যেই জেলা আওয়ামীলীগের কার্যকরী কমিটির সদস্যদের প্রস্তুতি নিতে মৌখিক ভাবে জানিয়ে দিয়েছেন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই।

দলীয় সূত্রে জানাগেছে, গত ১৫ জানুয়ারী সকাল সাড়ে ১০ টায় শহরের ২ নং রেলগেটস্থ কার্যালয়ে সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাইয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটির ওয়ার্কিং কমিটির প্রথম বৈঠকে ১০ ফেব্রুয়ারী টুঙ্গিপাড়ায় অবস্থিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণ করার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।

যার ফলে টুঙ্গিপাড়ার সেই অজপাড়া গাঁয়ে জন্মগ্রহণ করা স্বাধীন বাংলার স্থপতি ও স্বপ্নদ্রষ্টা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন জেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দরা।

কিন্তু পূর্ব নির্ধারিত সেই ১০ ফেব্রুয়ারী টুঙ্গিপাড়ায় আর যেতে পারেনি জেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দরা।

পরবর্তীতে ১৭ ফেব্রুয়ারী টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর মাজারে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণের সিদ্ধান্ত নেন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই।

কিন্তু ১৭ ফেব্রুয়ারীর সেই কর্মসূচীও স্থগিত করা হয়। সর্বশেষ সর্বসম্মতিক্রমে ৩ মার্চ টুঙ্গিপাড়ায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় জেলা আওয়ামীলীগ।

বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই জানান, ‘৩ মার্চ সকাল ৭ টায় শহরের ২ নং রেলগেটস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে জেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দদের নিয়ে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর মাজার জিয়ারতে যাত্রা করা হবে।’

উল্লেখ্য, বিগত ২০১৬ সালের ৯ অক্টোবর বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাইকে সভাপতি, এড. আবু হাসনাত মো: শহিদ বাদলকে সাধারন সম্পাদক ও ডা: সেলিনা হায়াত আইভীকে সিনিয়র সহ-সভাপতি করে তিন সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটির ঘোষণার প্রায় বছর খানেক পর ২০১৭ সালের ২৫ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের ৭৫ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

কমিটির সহ-সভাপতিরা হলেন, মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান বাচ্চু, এড. আসাদুজ্জামান আসাদ, আরজু রহমান ভূঁইয়া, মুক্তিযোদ্ধা খবির উদ্দিন, মোহাম্মদ সানাউল্লাহ, আব্দুল কাদির, শিকদার গোলাম রসুল, আদিনাথ বসু ও খাজা রহমত উল্লাহ।
যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আলহাজ¦ জাহাঙ্গীর আলম, ডা. আবু জাফর চৌধুরী বিরু ও ইকবাল পারভেজ।

আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. মাসুদ উর রউফ, তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক খলিল হাসান, ত্রান ও সমাজ কল্যান বিষয়ক সম্পাদক আলমাছ ভূঁইয়া, দপ্তর সম্পাদক এম এ রাসেল, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ইসহাক মিয়া, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শেখ সাইফুল ইসলাম, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক রানু খন্দকার, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মরিয়ম কল্পনা, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক এড. নুরুল হুদা, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মোহাম্মদ মানজারী আলম (টুটুল), শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক ফেরদৌসী আলম নিলা, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক কাউসার আহমেদ পলাশ, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক নুর হোসেন, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ মো. নিজাম আলী।

সাংগঠনিক সম্পাদক সুন্দর আলী, মীর সোহেল আলী, একেএম আবু সুফিয়ান।

উপ দপ্তর সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান হাবিব, উপ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. নাসির উদ্দিন, কোষাধ্যক্ষ মনিরুজ্জামান মনির।

আর ৩৪ জন কার্যকরী সদস্য হলেন, গাজী গোলাম দস্তগীর এমপি (বীর প্রতিক), নজরুল ইসলাম বাবু এমপি, হোসনে আরা বাবলী এমপি, এমদাদুল হক ভুঁইয়া, আব্দুল্লাহ আল কায়সার হাসনাত, মাহবুবুল ইসলাম রাজন, মোশারফ হোসেন, হাজ্বী আমজাদ হোসেন, মো. মির্জা সোহেল, আবুল বাশার টুকু, সাইফুল্লাহ বাদল, মোহাম্মদ মতিউর রহমান, শওকত আলী, মাসুম রহমান, হালিম শিকদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদের ডিলার, বিএম কামরুজ্জামান ফারুক, তোফাজ্জল হোসেন মোল্লা, শাহজাহান ভূঁইয়া, শাহজালাল মিয়া, হেলো সরকার, অ্যাডভোকেট শামসুল ইসলাম ভূঁইয়া, আলহাজ¦ মাহফুজুর রহমান কালাম, আব্দুর রশিদ, সিরাজুল ইসলাম, শাহাদাত হোসেন সাজনু, মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, শীলা রাণী পাল, অ্যাডভোকেট ইসহাক, শামসুজ্জামান ভাষানী, মেজর (অব.) মশিউর রহমান, সাদেকুর রহমান, মজিবুর মন্ডল, ইউসুফ ভূইয়া।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here