নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: নারায়ণগঞ্জের সদর উপজেলার গোগনগর ইউনিয়নের শহীদনগর এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী জান্নাত ও তার বাহিনীর অত্যাচারে স্থানীয় অতিষ্ট হয়ে পড়েছেন। প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি এবং মাদক বিক্রিতে বাধা দেয়া নীরহ লোকদের হয়রানি করারও অভিযোগ রয়েছে জান্নাতের বিরুদ্ধে। জান্নতের বিরুদ্ধে হত্যা, মাদক ব্যবসাসহ নানা অভিযোগ থাকলেও অদৃশ্য শক্তির কারণে দিন দিন আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। জান্নাত শহীদনগর এলাকার মনছুর মিয়ার পুত্র।

স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, জান্নান ও তার দুই মামা বুইট্টা বাচ্চু এবং খালেক এলাকায় আধিপত্য বিস্তারসহ নানা অপকর্ম করে আসছে। তাদের অপকর্মে বাধা দেয়া স্থানীয় শালিস (পঞ্চায়েত কমিটির সদস্য) মো: হোসেনকে মেরে ফেলার হুমকিসহ নানা ভাবে হয়রনী করা করে আসছে। একজন শালিসকে হয়রানী করিয়ে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছে জান্নাত বাহিনী। জান্নাতের মামা খালেক নিজ বাড়িতেই মাদক সেবন ও বিক্রি করে আসছে। মাদক সেবীদের নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে পরিচিত খালেকের বাড়ি। গত মাসের ২৯ তারিখে খালেকের বাড়িতে মাদক সেবন করার দুই ঘন্টা পরই আতা নামের যুবকের মৃত্যু হয়। এই ঘটনার জের ধরে এলাকার লোকজন খালেককে মারধর করে। সেই সূত্র ধরে মাদক ব্যাবসায়ী ও হত্যা মামলার আসামী জান্নাত গং এলাকায় ত্রাশের রাজত্ব সৃষ্টি করে।

পুলিশের হস্তক্ষেপে সেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসলেও পুলিশ চলে যাওয়ার পর ফের জান্নাত গ্যাংয়ের সদস্যরা ফের আগ্রাসী হয়। জান্নাতের আরেক মামা বুইট্টা বাচ্চুর দুই ছেলে বাবু (২৭) ও সাদ্দামও (২৫) জান্নাত গ্যাংয়ের সাথে মাদক বিক্রি করে আসছে। নারায়ণগঞ্জ মডেল থানা ও ডিবি পুলিশের অভিযানে একাধিক বার গ্রেফতারও হয়েছে। এদিকে জান্নাত বাহিনীর বিরুদ্ধে কথা বলায় এলাকার শালিস হোসেনের ভাতিজা ইসহাককে পিটিয়ে আহত করে জান্নাত বাহিনীর সদস্যরা এব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় অভিযোগও করা হয়েছে। অভিযোগ দায়েরর জান্নাত বাহিনী শালিস হোসেনকে নানা ভাবে হুমকি দেয়াসহ এলাকায় মহড়া দিচ্ছে। তাই জান্নাত বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here