নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: ঘনিয়ে আসছে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনকে ঘিরে ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের রয়েছে ব্যাপক প্রস্তুুতি। সারা দেশের ন্যায় নারায়ণগঞ্জ জেলার ৭টি থানা জুড়ে রয়েছে এই প্রস্তুতির আমেজ। আর সেই নির্বাচনের আমেজকে আরো বেশী আনন্দ মুখর করে তুলেছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে দেয়া ৭ই মার্চের ভাষনটি ইউনেস্কো কর্তৃক ‘মেমোরি অব দ্যা ওয়াল্ড’ স্বীকৃতি পাওয়ায়।

তাই তো বঙ্গবন্ধুর ভাষণের স্বীকৃতিতে শনিবার (১৮ নভেম্বর) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ আয়োজিত ‘নাগরিক সমাবেশে’ নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ আলহাজ¦ একেএম শামীম ওসমানের নেতৃত্বে ব্যাপক লোক সমাগম নিয়ে যোগদানের মাধ্যমে ইতিহাস সৃষ্টি করবে ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বলে জানান, শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দরা।

এমিরেটস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামানের সভাপতিত্বে উক্ত নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উক্ত সমাবেশে যোগদান প্রসঙ্গে ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও কাশীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এম সাইফ উল্লাহ বাদল বলেন, ‘আমি প্রথমে শ্রদ্ধার সাথে স্মরন করছি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুশ্রিুর রহমান সহ তার পরিবারের সদস্যদের। যারা ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগষ্ট নির্মমভাবে হত্যার শিকার হয়েছেন। আমি আরো শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করছি ৩০ লাখ শহীদ ও ২ লাখ মা বোনদেও, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমার অর্জন করেছি আমাদের স্বাধীনতা। ’

তিনি জানান, ‘যদি এদেশে বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হতো তাহলে এদেশ স্বাধীন হতো না। এই স্বাধীনতা লাভে অন্যতম ভূমিকা ছিল ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সেই ঐতিহাসিক ভাষণ। “এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম।” বঙ্গবন্ধুর সেই বজ্রকন্ঠের ভাষনটি ইউনেস্কো প্রতিটি সেকেন্ড আর প্রতিটি মূহুর্তগুলো পর্যবেক্ষন করে ‘মেমোরি অব দ্যা ওয়ার্ল্ড’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। আর তাই সেই আনন্দে ঢাকায় আওয়ামীলীগ আয়োজিত বিশাল নাগরিক সমাবেশকে সাফল্যমন্ডিত করতে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব একেএম শামীম ওসমানের নির্দেশে ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের সকল নেতাকর্মীরা সেখানে স্ফতফূর্তভাবে অংশগ্রহন করবে।’

ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এম শওকত আলী জানান, ‘বঙ্গবন্ধু মানে বাংলাদেশ আর বঙ্গবন্ধু মানেই একটি জাতির মহানায়ক। এদেশের স্বাধীনতা অর্জনে বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ নিহত তার পরিবারের সদস্যদের আমি শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করছি। বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবর রহমানের ৭ই মার্চের সেই ঐতিহাসিক ভাষন আজ বিশ্বের দরবারে স্বীকৃতি লাভ করেছে। আমরা পুরো বাঙ্গালী জাতি আজ গর্বিত। তাই ঢাকায় বিশাল নাগরিক সমাবেশকে সাফল্য মন্ডিত করতে ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী শনিবার সকাল থেকেই ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিবে। আমরা নেতাকর্মীদেরকে নিয়ে প্রথমে মতিঝিল দোয়েল চত্বরে অবস্থান করবো। তারপর সেখান থেকে বিশাল শো ডাউন করে সমাবেশস্থলে যোগ দিব।’

জেলা যুবলীগ নেতা এহসানুল হক নিপু জানান, ‘দেহের সাথে যেমন মনের সম্পকর্, তেমনি টুঙ্গীপাড়ার সেই রাখাল রাজা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে বাঙ্গালী জাতির আত্মার সম্পর্ক। যার জন্ম না হলে বাঙ্গালী জাতি পরাধীনতার শিকল থেকে বেড়িয়ে আসতে পারতো না। আর পেত না স্বাধীনতার স্বাদ। ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে দেয়া সেই ভাষন আজ ওয়ার্ল্ড ফ্যামাস ‘মেমোরি অব দ্যা ওয়ার্ল্ড’ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। বঙ্গবন্ধুর এই স্বীকৃতি বাঙ্গালী জাতির এক নতুন উপহার। তাই সাংসদ শামীম ওসমানের নেতৃত্বে শনিবার ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত নাগরিক সমাবেশে নারায়ণগঞ্জ থেকে যুবলীগ নেতাকর্মীরা যোগদান করবেন এবং সমাবেশকে সাফল্য মন্ডিত করবেন।’

কাশীপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি আলহাজ্ব আইয়ূব আলী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের সেই ঐতিহাসিক ভাষন আজ ওয়ার্ল্ড ফ্যামাস ‘মেমোরি অব দ্যা ওয়ার্ল্ড’ স্বীকৃতি পাওয়ায় বাঙ্গালী জাতি হিসেবে আমরা গর্ববোধ করছি।’

ফতুল্লা থানা যুবলীগের সভাপতি মীর সোহেল আলী বলেন, ‘১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে সেই ভাষন ইউনেস্কো স্বীকৃতি দিয়ে প্রমান করেছেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন মহান, তিনি ছিলেন বাঙ্গালী জাতির অভিভাবক। আর তাই এই অভিভাবকের স্বীকৃতির প্রতি সম্মান জানাতে শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশে শামীম ওসমানের নেতৃত্বে বিশাল শো ডাউন করে ইতিহাস সৃষ্টি করবে ফতুল্লা থানা যুবলীগের নেতাকর্মীরা।’

ফতুল্লা থানা ছাত্রলীগের সভাপতি শরীফুল হক বলেন, ‘১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে সেই ভাষন ইউনেস্কো স্বীকৃতি দেওয়ায় আমারা গর্বিত।’

ফতুল্লা থানা ছাত্রলীগ সাধারন সম্পাদক এম এ মান্নান বলেন, ‘জাতির পিতার সেই তেজ্রদিপ্ত কন্ঠের ভাষণ গোটা বাঙ্গালী জাতিকে সেদিন একত্রিত করেছিল। আর এর বিনিময়ে আমরা অর্জন করেছিলাম স্বাধীনতা। তাই বঙ্গবন্ধুর সেই কালজয়ী ভাষণের স্বীকৃতিতে আনন্দিত হয়ে নাগরিক সমাবেশে যোগ দিবে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।’

জেলা যুবলীগ নেতা সাব্বির আহমেদ জুলহাস বলেন, ‘টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া আর সুন্দরবন থেকে বান্দরবন, রূপসা থেকে পাথরিয়া সমগ্র বংলার আকাশে বাতাসে ধ্বনিত হচ্ছে একটিই নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যার অবিস্মরনীর ৭ই মার্চের সেই ভাষন আজ সারা বিশ্বে স্বীকৃতি লাভ করেছে।’

কুতুবপুর ইউনিয়নের (সাবেক) ১, ২, ৩ নং ওয়ার্ডের সিনিয়র সহ-সভাপতি আল-মামুন ভূইয়া মিন্টু বলেন, ‘১৯৭১সালের ৭ই মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে সেই ভাষন আজ ওয়ার্ল্ড ফ্যামাস ‘মেমোরি অব দ্যা ওয়ার্ল্ড’ খ্যাতি লাভ করায় আমরা আনন্দিত। এই আনন্দ সমগ্র বাঙ্গালী জাতির।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here