নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: অবশেষে নারায়ণগঞ্জ বিএনপি নেতা শাহ আলমের সাদা দিলে কাঁদা লাগলো। বিএনপি’র রাজনীতি করা সত্বেও অদৃশ্য শক্তির বলে একটিও রাজনৈতিক মামলার শিকার না হওয়া শাহ আলমের নামে এবার সোনাগাঁ থানায় একটি রাজনৈতিক মামলা দায়ের করা হয়েছে। আর এর ফলে মামলা না থাকার দুর্নাম কিছুটা হলেও ঘুচাতে সক্ষম হয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সহ সভাপতি শিল্পপতি মো: শাহ আলম।

গত ১০ অক্টোবর কাঁচপুরে সোনারগাঁ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের একটি বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের সাথে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটলে পুলিশসহ চারজন আহত হয়। এ সময় পুলিশ দুটি ককটেলসহ শাহজাহান ও সাখাওয়াত নামে দুই স্বেচ্ছাসেবক দল কর্মীকে আটক করে। এর পরের দিন সোনারগাঁ থানার এসআই মনিরুজ্জামান বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় নারায়ণগঞ্জ বিএনপি নেতা মো: শাহ গিয়াসউদ্দিন ও মো: শাহ আলমসহ প্রায় শতাধীক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। আর এভাবেই মামলা না খাওয়ার অসাধারণ রেকর্ড ভেঙ্গে যায় মো: শাহ আলমের।

সূত্রে প্রকাশ, ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে অভিষেক ঘটে ফতুল্লার বিশিষ্ট শিল্পপতি মো: শাহ আলমের। নারায়ণগঞ্জ-৪ আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নিয়ে আওয়ামীলীগ প্রার্থী সারাহ বেগম কবরীর কাছে বিশাল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। তবে সর্বত্র নারায়ণগঞ্জ বিএনপি’র শীর্ষ নেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। গত প্রায় এক যুগ ক্ষমতাহীন দলটির ক্রান্তিকালে নেতাকর্মীরা হামলা মামলায় জর্জরিত হয়ে পরলেও শাহ আলমের গায়ে এর আচড়টিও পরেনি। প্রায় এক যুগ বিরোধী দলের রাজনীতিতে সক্রিয় থেকেও কোন মামলার শিকার না হওয়ার মতো অবিশ^াসী গল্পের ¯্রষ্টা হচ্ছেন শাহ আলম।

এই দীর্ঘ সময়ে জাতীয় বা দলীয় কোন কর্মসূচিতে মাঠে তাকে দেখা না গেলেও কমিটি গঠনের বেলায় বড় পদেই অধিষ্ঠিত হন তিনি। ২০০৯ সালে আংশিক গঠিত নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি’র কমিটিতে ছিলেন সিনিয়র সহ সভাপতি আর নব গঠিত জেলা কমিটিতে পেয়েছেন সহ সভাপতি পদ। অবশ্য এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ বিএনপি’র এক প্রভাবশালী নেতা অফ দ্যা রেকর্ডে বলেছিলেন, দলের যেমন ত্যাগী নেতার দরকার আছে, তেমনি টাকারও প্রয়োজন আছে। আর তাই টাকার ক্ষমতাবলে বিএনপি’র রাজনীতি করেও মামলা হামলা থেকে দুরেই ছিলেন এই ঘরকুনো নেতা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here