নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: আনুষ্ঠানিক ভাবে পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা ঘোষণার পূর্বেই হোঁচট খেলো নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ- শ্রম কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক পদ থেকে আলহাজ¦ কাউসার আহম্মেদ পলাশের পদত্যাগ পত্র জমাদানের পরপরই এমন সমালোচনা চলছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের মাঝে।
বুধবার (২৯ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাইয়ের কাছে পদত্যাগ পত্র প্রদান করেন আলহাজ¦ কাউসার আহম্মেদ পলাশ। তবে পলাশের পক্ষ থেকে আব্দুল হাইয়ের পদত্যাগ পত্র জমা দেন আরেক শ্রমিক নেতা শাহাদাত হোসেন সেন্টু ও হুমায়ুন কবির।

পদত্যাগের কারন প্রসঙ্গে কাউসার আহম্মেদ পলাশ বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সংবিধানে একই ব্যাক্তি ২টি সংগঠনের সাংগঠনিক পদে থাকতে পারে না। যেহেতু আমি কেন্দ্রীয় শ্রমিকলীগের শ্রম ও কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করছি, সেহেতু নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক পদে থাকার এখতিয়ার আমার নেই। তাই আমি জেলা আওয়ামীলীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক থেকে পদত্যাগ করে আমাকে কার্যকরী সদস্য পদে রাখার অনুরোধ জানিয়েছি।’

তবে শুধু পলাশই নয়, নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি হওয়ার পরেও তাকে যথাযথ মূল্যায়ণ করা হয়নি বলে মন্তব্য করেন জেলা যুবলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই। কারন তিনি জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক হতে দৌড়ঝাপ করেছিলেন।

কিন্তু ২০১৬ সালের ৯ অক্টোবর বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাইকে সভাপতি, ডা: সেলিনা হায়াত আইভীকে সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং এড. আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহীদ বাদলকে সাধারণ সম্পাদক করে ৩ জনের আংশিক কমিটি ঘোষণা করেন দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর গত ২৫ নভেম্বর জেলা আওয়ামীলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেন প্রধানমন্ত্রী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here