নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: নগরীর ১৪নং লয়েল ট্যাংক রোডে অবস্থিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান উজালা প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং এর সার্টারের তালা ভেঙ্গে দোকান ঘরে হামলা-ভাংচুর, লুটপাটের প্রতিবাদে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক জহিরুল হক সংবাদ সম্মেলন করেন।
সোমবার সকালে প্রেস ক্লাবের হানিফ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনে তিনি তার লিখিত বক্তব্যে দাবি করেন, নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি আসাদুজ্জামান, নাসিক মহিলা কাউন্সিলর শারমিন হাবিব বিন্নী ও সন্ত্রাসী প্রকৃতির কিছু অসৎ লোকের সহযোগীতায় আদালতের আদেশ অমান্য করে গত রবিবার মনির হোসেন, মোঃ সোহেল, মোস্তফা কাউসার ও আক্তার হোসেনসহ আরো ২৫/৩০ জন সন্ত্রাসী তান্ডব চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান উজালা প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং এর সার্টারের তালা ভেঙ্গে দোকান ঘরে থাকা অফসেট প্রিন্টিং মেশিন ও ডাই কাটিং মেশিনসহ দোকান ঘরে থাকা কিছু মালামাল বাহিরে বের করে দেয়। এরা বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত থাকায় আমরা এই অবৈধ কাজে বাধা দিতে পারি নাই। এব্যাপারে থানা পুলিশের সহযোগীতা চাইলৈ তারা সহযোগীতা না করে উল্টো আমাকেই শাষিয়ে দেয়। জহিরুল হক বলেন, ১৯৬৫ সালে আমার বাবা কর্তৃক এই দোকান ঘর পজিশন ক্রয় করে ব্যবসা পরিচালনাকালে বাড়িওয়ালার সাথে ভাড়া নিয়ে দ্বিমত হলে বিজ্ঞ সহকারী জর্জ ৪র্থ আদালতে একটি মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, পরবর্তীতে আমরা কাঙ্খিত ফলাফল না পাওয়ায় বিজ্ঞ আদালতে ২০০৭ সালের ৩১ জুলাই মিছ আপিল দায়ের করি। যার ফলে বিজ্ঞ আদালত গত ২০১৬ সালের ২৭নভেম্বর উভয় পক্ষকে স্থিতিবস্থা বজায় রাখার আদেশ প্রদান করেন। কিন্তু গত ২০১৬ সালের ৭ ডিসেম্বর বাড়িওয়ালা পক্ষ আদালতের আদেশ অমান্য করে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাংচুর করে, বিদ্যুতের তার নগদ টাকা সহ প্রয়োজনীয় ব্যবসায়ীক কাগজপত্রাদি ও মুল্যবান জিনিস লুটপাট করে। এই বিষয়ে সদর মডেল থানার ওসি সাহেবের সাথে দেখা করে বিষয়টি অবহিত করে আইনগত সহায়তা চাইলে ওসি সাহেব অনিহা প্রকাশ করে। যার প্রেক্ষিতে সোমবার ৭মে ২০১৭ ইং তারিখে জেলার পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করি। আমি এ দেশের একজন নাগরিক হিসাবে দেশের সকল আইনগত সহযোগীতা যেন পাই এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ এবং কর্তপক্ষ যেন আমাকে সহযোগীতা করেন সেই লক্ষ্যে গতকাল জেলা পুলিশ সুপারের কাছে এই লিখিত অভিযোগ করি। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগীতা কামনা করেন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী জহিরুর হকের ভাই মহসিন আহমেদ, মোঃ জসিমউদ্দিন এবং আল মামুন, সোলেমান দেওয়ান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here