নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: জাতীয়তাবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ নেতাকর্মীদের সম্মিলনে গঠিত হয়েছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল।
যেই কারনে, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রত্যাশা ব্যক্ত করে একদিন বলেছিলেন, ‘দেশে শ্বাসরুদ্ধ কর অন্ধকার পরিবেশ। এই যে আমাদের সমস্ত চেতনাকে বিলুপ্ত করার যে পরিবেশ এবং অপচেষ্টা সেখান থেকে আমাদের দেশকে জাতিকে বের করে আনতে হবে। আর সেই দায়িত্ব পড়েছে জাতীয়তাবাদী যুবদলের উপর। যুবদলের একটা অতীত ইতিহাস রয়েছে। যে ইতিহাস গণতন্ত্রকে ছিনিয়ে আনার ইতিহাস, সত্যকে সত্য বলার ইতিহাস। তাই যুবদলই পারবে সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুঁখে দাঁড়াতে। সেই শক্তি, সেই মনোবল জাতীয়তাবাদী যুবদলের প্রতিটি সদস্যকে অর্জন করতে হবে।’

যার ফলশ্রুতিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর যুবদলের নেতাকর্মীরা মামলা হামলার ভয়কে উপেক্ষার শক্তি ও মনোবল নিয়ে সরকার বিরোধী আন্দোলনে সবসময় রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

কিন্তু সদর থানা যুবদলের বিপদগামী কিছু কথিত নেতার অপকর্মের কারনে গোটা যুবদলের বদনাম রটছে। বলা হচ্ছে, ‘সদর থানা যুবদলে এখন খুনীদের বিচরন চলছে’!

তবে তা মানতে নারাজ নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ।

অথচ জানাগেছে, গত ১২ অক্টোবর রাতে ফতুল্লা মডেল থানাধীন কাশীপুর হোসাইনী নগর এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুইজনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। যার মধ্যে একজন হচ্ছেন, স্থানীয় ছায়াবৃত্ত শ্রমজীবি সমবায় সমিতির মালিক, বিএনপি নেতা ও সন্ত্রাসী তুহিন হাওলাদার মিল্টন (৩৮)। আর অপরজন হচ্ছেন তার সহযোগী পারভেজ আহম্মেদ (৩৫)। উভয়েই স্থানীয় বাসিন্দা।

কিন্তু পূর্ব শত্রুতার জের ধরে যারা তাদের কুপিয়ে হত্যা করেছেন, সেই সকল খুনীরা হচ্ছেন নারায়ণগঞ্জ সদর থানা যুবদল নেতা। হত্যাকান্ডের ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানায় পুলিশের দায়েরকৃত মামলার এজাহারে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের প্রত্যেকেই নিজেদের যুবদল নেতা হিসেবে জাহির করে নগরীর বিভিন্ন স্থানে সাঁটিয়েছিলেন ফেস্টুন ব্যানার।

আর যুবদলে থাকা এসকল খুনীরা হলেন, জাহাঙ্গীর বেপারী, বাপ্পী, রবিন, রকি, শহিদ, আসলাম, মাহাবুব, শিপলু, রাসেল, মুক্তা, রাব্বি, শরীফ, রানা, কিরণ, মানিক, ফয়সাল, সোহাগ, রাজন, ফরহাদ, আমান, রাকিবসহ অজ্ঞাত আরো প্রায় ১২৫ জন সন্ত্রাসী।

যারা ঘটনার দিন রামদা, চাপাতি ও লোহার রড নিয়ে প্রথমে বিএনপি নেতা মিল্টনের বাড়িতে হামলা চালায়। পরে সেখানে মিল্টনকে না পেয়ে তার বাড়ীঘর ভাঙচুর করে সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় স্থানীয় রাজীবের মালিকানাধীন অটো রিকশার গ্যারেজে প্রবেশ করে। যেখানে আগে থেকেই অবস্থান করছিল মিল্টন ও পারভেজ। এরপর যুবদল করা সন্ত্রাসীরা তাদেরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে মৃত্যু নিশ্চিত করে লাশ নিশ্চিহেৃর লক্ষ্যে গ্যারেজে আগুন জ¦ালিয়ে চলে যায় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন, বাদী ফতুল্লা মডেল থানার এসআই মোজাহারুল ইসলাম।

আর যুবদলে থাকা এই সকল খুনীদের শেল্টারদাতাদ্বয় হচ্ছেন, মহানগর বিএনপি নেতা মজিদ খন্দকার ও হাসান আহাম্মেদ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here