নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খেিলদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলগীর, যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে বিক্ষোভ সমাবেশ পালন করেছে মহানগর বিএনপি।

সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) বিকেল ৩ টায় কালিরবাজারস্থ মহানগর বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সাংসদ এড. আবুল কালাম বলেন, বর্তমান সরকার বিচার ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রন করে গনতন্ত্রকে কারাগারে পাঠিয়েছে। আমরা তাদেরকে আহবান করবো দেশের কল্যানের দিক তাকিয়ে শুষ্ঠ নির্বাচনের স্বার্থে বিএনপি’র নেতাকর্মীদের মামলা গুলো প্রত্যাহারের ব্যবস্থা করুন। এ সময় তিনি সরকারের প্রতি আহবান করে আরও বলেন, বিএনপি গনতন্ত্রে বিশ্বাসী তাই জনগনের অধিকার ফিরিয়ে দিয়ে জন কল্যান মুখী রাজনীতিত্বে অবস্থ্য হন। আপনারা জন-বিছিন্ন হয়ে পরেছেন তাই ভুলে গেছেন বিরোধী দল সরকারের একটি অংশ। সরকারে সাথে জনগনের সমন্বয়ের কাজ করে বিরোধী দল। বিএনপি দেশের সর্ব বৃহ রাজনৈতিক দল সেই দলকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য মাইনাস-১ ফরমুলার রাজনীতি করছেন। সেই সাথে ৩ বারের সফল প্রধানমন্ত্রী বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করছেন। সেই সাথে সরকারের প্রহসনে বিএনপির নেতাকর্মীদের হয়রানী করছে প্রশাসন।

এ সময় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, বিজয় দিবস পালন করার জন্য আপনারা যে সহযোগীতা করেছে তার জন্য আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাছি। বর্তমান সরকার আমাদের কর্মসূচী পালন করতে প্রতিনিয়তই বাধা প্রধান করছে। তবুও আমরা প্রতিনিয়তই কর্মসূচী পালন করছি। রাজনৈতিক ভাবে আওয়ামীলীগ বিএনপি’র চেয়ে অনেক পিছিয়ে আছে।

এ সময় তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদীর পরিচয় পেয়েছি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কারণে। তার সহধর্মীনী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই করে মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছে । এই বৃদ্ধা বয়সে তবুও তিনি অন্যায়ের সাথে আপোষ করেননি। আপনাদের চিন্তা করতে হবে দলকে সাংগঠনিক শক্তিশালী করার জন্য আপনারা কি করেছেন। শুধু ফটোসেশনের রাজনীতি বাদ দেন এখন সময় এসেছে শক্তির প্রমান দেয়ার। জনগনের অধিকার আদায় ও নির্বাচনের শুষ্ঠ পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে কাজ করুন। দেশের মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে না পারলে দল ও নেতাদের কোন অস্থিত্ব থাকবে না।

তিনি আরও বলেন, পদ পদবির চিন্তা না করে দেশ ও দলের জন্য পরিশ্রম করুন দল আপনাকে অবশ্যই মূল্যায়ন করবে। দেশের সার্বিক পরিস্থিতি যদি ভাল থাকে তাহলে আগামী ৩ মাসের মধ্যে আপনাদের কমিটি গুলোর কাজ শেষ করবো।

মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়ে ঘরে বসে থাকেননি তিনি রনাঙ্গনে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন। কিন্তু আমরা কি স্বাধীন হতে পেরেছি এখনো পারিনি। বর্তমান দেশের কোথাও স্বাধীনতা নেই পুরো দেশকে কারাগারে পরিনত করে রেখেছে সরকার। যে দেশে ঘি’য়ের চেয়ে লবনের দাম বেশী সেই দেশে বসবাস করার পরিবেশ নেই। প্রধানমন্ত্রী দেশকে ডিজিটাল করার জন্য জয়কে যে সুযোগ দিয়েছেন তার ছেলের কারণেই শেখ হাসিনার পতন হবে। ১/১১ এর সময় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে প্রমান সহ মামলা হওয়ার পরও তার বিরুদ্ধে কোন মামলা নেই। অথচ এই সরকার ৩ বারের প্রধানমন্ত্রীর বেগম খালেদা জিয়াকে হয়রানী করার জন্য মিথ্যা মামলা দিয়েছে। অচিরেই দেশনেত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইসচেয়ারম্যান তারেক রহমান সহ দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করুন। নতুবা এর জবাব দেয়ার জন্য জনগনের কাঠগড়ায় দাড়াতে হবে।

এ সময় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা বিজয় দিবস পালনে যে ভূমিকা দেখিয়েছেন সেই জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানাই। পাশাপাশি আগামী দিনে এই ভাবে আপনাদের অংশগ্রহন দেশের মানুষের মনে শক্তি যোগাবে।

সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, বিএনপি কাজ করে বিদায় আপনারা আমাদের নিয়ে আলোচনা সমালোচনা করেন। যেটা আওয়ামীলীগকে নিয়ে করেন না। আমাদের বিগত কমিটিতে জেলার চেয়ে মহানগর বেশী কাজ করেছে কিন্তু বর্তমান কমিটি ঘোষনা করার পর থেকেই আমরা নানা কর্মসূচী পালন করে আসছি। যা বিগত দিনে কোন কমিটিই করতে পারেনি।

এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন, মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি এড. জাকির হোসেন, হাজী নুরুউদ্দিন, ফখরুল ইসলাম মজনু, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সবুর খান সেন্টু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম সজল, কোষাধক্ষ মনিরুজামান মনির, বিএনপি আনোয়ার হোসেন আনু, আবুল কাশেম, ফরিদ উদ্দিন, যুবদল নেতা সেলিম।

প্রতিবাদ সমাবেশ সঞ্চালনা করেন মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু আল ইউসুফ খান টিপু।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, মহানগর বিএনপি নেতা এড. রফিক আহম্মেদ, পিয়ার জাহান, জাহাঙ্গীর মিয়াজী, আলিফ আহম্মেদ গোগা, নজরুল ইসলাম, শওকত আলী লিটন, মহানগর যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক সরকার আলম, মনোয়ার হোসেন শোখন, মহানগর যুবদল নেতা নাজমুল হক রানা, সেলিম, মোস্তাফিজুর রহমান পাবেল, মহানগর ছাত্রদল নেতা মোস্তাকুর রহমান, আরাফাত চৌধুরী, মির্জা কামালউদ্দিন জনি, মেহেদি হাসান খান, শফিকুল ইসলাম, দর্পন প্রধান, আব্দুল হাসিব, পাপ্পু(বড়), হামিদ, ডলার, সৌরভ আহম্মদে, আলতাফ, আনোয়ার, জুয়েল, অভি,ি মঠু, আব্দুর রশিদ, নাজমুল, পাপ্পু(ছোট), সায়েম, বাপ্পী, খোকন, রাব্বি, মিন্টু, জিসান, রাকিব, নাসিম, মাসুদ, নুর, গিপু ইমরান, মহানগর শ্রমিক দলের সদস্য সচিব আলী আজগর, যুগ্ম-আহবায়ক মনির মল্লিক, খালেদ মামুন, লিটন, আহাদ হোসেন লিটন, আনিসুর রহমান জুয়েল, ফজলুল হক, নুর মোহাম্মদ, আজীম সরদা, কামাল হোসেন মোল্লা, অজিত দাস, তাওলাদ হোসেন, হারুণ শেখ, দুলাল হোসেন, মিলন, আনোয়ার শাকিল, মুন্না, ইলিয়াস ইদ্রিস, শন্তুস, শামীম হোসেন, আলাউদ্দিন বেপারী, মতিন মিয়া, আবু শেখ, বিল্লাল বেপারী, সুজন মিয়া, রবিউল হোসেন, বাচ্চু, কামরুজ্জামান খোকন, ফয়সাল মিয়া, সেলিম মিয়া, কামরুল হাসান খোকন, ফারুক, দুলাল, মতিউর রহমান, মহানগর স্বেচ্ছা সেবক দল নেতা ফারুক চৌধুরী, সাইদুর রহমান, শাহ আলম, ইমন চৌধুরী, মাকিদ মোস্তাকিম শিপলু, আব্দুর রশিদ হাওলাদার প্রমূখ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here