নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানাধীণ সাইনবোর্ড গিরিধারা এলাকায় মাদক ব্যবসায় বাঁধা দেওয়ায় ইউসুফ প্রমাণিয়া নামের এক যুবলীগ কর্মীকে পিটিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ইউসুফ প্রমানীয়া বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামী করে নারায়ণগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেছে। মামলা নং ১৭(৮)১৭, তারিখ ২৬-০৯-২০১৭।
মামলার আসামীরা হলো আবদুল মান্নানের ছেলে হৃদয়, বিল্লা তবেদারের ছেলে আরিফ, আলমের পুত্র সোহেল, রুহুল আমিন তবেদারের ছেলে আজাদ ও আবুল বাসার ভূইয়ার ছেলে নুর হোসেন ভূইয়া।

মামলায় বাদী ইউসুফ প্রমানীয়া উল্লেখ করেন, আসামীরা দাঙ্গাবাজ, সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী। তাদের বিরুদ্ধে একাধীক মামলা রয়েছে। আসামীদের মাদক ব্যবসায় বাঁধা দেওয়ায় গত ২৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় আসামীরা পিস্তল, লোহার রড ও হকিষ্টিক দিয়ে বাদীকে আক্রমন করে। আজাদ ও নুর হোসেন হুকুম দেয় আর আসামী সোহেল হকিষ্টিক দিয়ে বাদীর বাম পায়ে বারি মেওে ভেঙ্গে ফেলে। আসামী হৃদয় বাদীর বাম হাটুর নীচে পিস্তল দিয়ে বারি মেরে রক্তাক্ত জখম করে। এ সময় আসামীরা বাদীর পকেটে থাকা দশ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ইউসুফ প্রমানীয়া জানান, আসামীরা মূলত সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজিমুদ্দিনের লোক। ঘটনার পরপর নাজিমুদ্দিন ঘটনার সুষ্ঠ বিচার করে দেয়ার আশ^াস দেন। পরে আর তিনি এ বিচারের ব্যবস্থা না করে ঢাকার শ্যামপুর নুর হোসেনের ভিট অফিসে গিয়ে বিচারে বসতে বলে। কিন্তু আমার মামলার আসামী নুর হোসেনের কাছে বিচারের জন্য আমি যাইনি। এখন নাজিমুদ্দিনের লোকজন আমাকে ভয় ভীতি দেখাচ্ছে এবং প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। আমি এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছি। তাই জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে আমি জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ফজলুল হক নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডিকে বলেন, আমি বেশ কয়েকদিন যাবত অসুস্থ্য, তাই এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে পারছি না। বাদীকে আমার মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করতে বলেন।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here