নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক লীগ কর্মী সুমন মিয়া হত্যা মামলায় আত্মসমর্পণের পর কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ওরফে অঅন্ডা রফিক অনুসারী ১৩ নেতাকর্মীর জামিন দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (২৮ মার্চ) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলাম এর আদালত ২০ হাজার টাকার বন্ডে আইনজীবীদের জিম্মায় আসামীদের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

সুমন হত্যা এ মামলায় জামিন পেয়েছেন, সালাউদ্দিন মেম্বার, আবদুল আউয়াল, আলেক মিয়া, জাকির, রাসেল, মহসীন, নবী, মাসুম, আলম, হানিফা, সোলমান, রনি ও দুলাল মিয়া।

আর এই মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছেন বায়েজীদ। তবে মামলার প্রধান আসামী কায়েতপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামসহ শফিক মিয়া ও মাসুম চৌধুরী অপু আত্মসমর্পন করেননি।

আসামীপক্ষের আইনজীবী হিসেবে জামিন শুনানীতে অংশ নেন, আইনজীবী সমিতির সভাপতি এড. হাসান ফেরদৌস জুয়েল, সেক্রেটারী এড. মুহাম্মদ মোহসীন মিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এড. মাহাবুবুর রহমান, ক্রীড়া সম্পাদক এড. আবুল বাশার রুবেল সহ অর্ধশতাধিক আইনজীবী।

বাদী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন, নারায়ণগঞ্জচ বারের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের জাতীয় পরিষদ সদস্য এড. আনিসুর রহমান দিপু, মহানগর আওয়ামীলীগের সেক্রেটারী এড. খোকন সাহা, সমিতির সাবেক সেক্রেটারী এড. হাবিব আল মুজাহিদ পলু, এড. মামুন সিরাজুল মজিদ সহ অন্যান্য আইনজীবীরা।

উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারী বেগম খালেদা জিয়ার রায়কে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জে বিএনপির নাশকতা ঠেকাতে গিয়ে আধিপত্য বিস্তার ও একই স্থানে অবস্থান নেয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আওয়ামীলীগের সংসদ সদস্য গাজী গোলাম দস্তগীর ও কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম সমর্থকদের মধ্যে রূপগঞ্জের তিনশ ফিট এলাকায় সংঘর্ষ বেধে যায়।

সংঘর্ষে উভয় পক্ষের গোলাগুলিতে এমপি গাজী সমর্থক স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা সুমন মিয়া গুলিবিদ্ধ হলে হাসপাতালে নেয়া হলে তিনি মারা যার। এতে পুলিশ, সাংবাদিক সহ উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক আহত হন। পুলিশ দুই পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করতে গিয়ে রাবার বুলেট, টিয়ারশেল ও শটগানের গুলি ছোড়ে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৩৯ জনকে আটক করেছিল। নিহত সুমন মিয়া উপজেলার গন্ধবপুর এলাকার মনু মিয়ার ছেলে।

ঘটনার একদিন পর রূপগঞ্জ থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়। একটি মামলার বাদী হয় থানা পুলিশ ও অপর মামলার বাদী নিহত সুমন মিয়ার শ্বাশুড়ী কাজল রেখা। পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা দুই হাজার ব্যক্তিকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন।

সুমন মিয়ার শ্বাশুড়ী কাজল রেখা বাদী হয়ে চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম সহ তার অনুসারী ১৭ জনের নাম উল্ল্যেখ করে আরও অজ্ঞাতনামা ৫০ জনকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় বায়েজিদ কারাগারে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here