নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: দিনের বেলায় যেন নির্দিষ্ট স্থান ও টোকেন ব্যাতীত অন্যত্র কেউ ট্রাক রেখে মালামাল লোড-আনলোড করতে না পারেন, সেজন্য দুই জন শ্রমিক নেতার সাথে সমন্বয় করে নারায়ণগঞ্জ জেলা ট্রাক, ট্যাঙ্ক লরী ও কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও নাসিক ১৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শফিউদ্দিন প্রধানকে নিতাইগঞ্জের নিয়ন্ত্রণ ভার দিয়েছিলেন বিকেএমইএ সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাংসদ সেলিম ওসমান।

কিন্তু এখন বাংলা প্রবাদের মত ‘কেঁচু খুড়তে গিয়ে বেরিয়ে এসেছে সাপ’। অভিযোগ উঠেছে, সেই শফিউদ্দিনই নাকি এখন তার আরেক সহযোদ্ধা আব্দুল করিম বাবুর সহযোগিতায় নিজেই গোটা নিতাইগঞ্জের নিয়ন্ত্রণ নিতে কিছু ট্রাক চালক শ্রমিকদের উস্কে দিচ্ছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা ট্রাক, ট্যাঙ্ক লরী ও কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মাসুদুর রহমান মানিক ও নিতাইগঞ্জ লোড আনলোড শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি কামরুল হাসান মুন্নার বিরুদ্ধে। আর এক্ষেত্রে শফিউদ্দিনের সহযোদ্ধা হিসেবে পরোক্ষ ভাবে আছেন, নাসিকের আরেক কাউন্সিলর আবুল করিম বাবু।

যার ফলশ্রুতিতে গত ৯ অক্টোবর সাংসদ সেলিম ওসমানের নির্দেশনা মোতাবেক দিনের বেলায় অন্যত্র মালামাল লোড-আনলোডে বাঁধা দিতে গিয়ে উল্টো শ্রমিকদের রোষানলে পড়েন নারায়ণগঞ্জ জেলা ট্রাক, ট্যাঙ্ক লরী ও কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মাসুদুর রহমান মানিক ও নিতাইগঞ্জ লোড আনলোড শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি কামরুল হাসান মুন্না। স্থানীয় কতিপয় শ্রমিকদের উস্কে দিয়ে সৃষ্টি করা হয় উত্তেজনার।

আর সংবাদ পেয়ে স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীরা ঘটনাস্থল নিতাইগঞ্জে যাওয়া মাত্রই ‘টোকেন’ বানিজ্যের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে মানিক-মুন্নার বিরুদ্ধে কাউন্সিলর শফিউদ্দিন প্রধানের ইন্ধনে সেলিম ওসমানের নির্দেশ অমান্যকারী শ্রমিকরা দিতে থাকেন নানা ধরনের শ্লোগান। পরবর্তীতে উত্তেজনাকর পরিবেশ সৃষ্টি হতে থাকায় তখন বিদেশে অবস্থানকারী সাংসদ সেলিম ওসমানের নির্দেশনা পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা। কিন্তু ততক্ষনে চাঁদাবাজির অভিযোগে বদনাম রটে যায় মানিক-মুন্নার। যার নেপথ্যে থেকে কলকাটি নেড়েছিলেন কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবু।

যা কিনা ঐদিনের উদ্বুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রেরিত সাংসদ সেলিম ওসমানের বিবৃতিতেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে মন্তব্য করেন ট্রাক মালিকসহ স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দরা।

কেননা, ৯ অক্টোবর সকালে নিতাইগঞ্জে শ্রমিক নেতাদের সাথে সাংসদসহ প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্যকারী কথিত শ্রমিক নেতা শহীদ ও ট্রাক চালক রাজনের হট্টগোলের পর স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রেরিত সেলিম ওসমানের বিবৃতিতে তার প্রেস সচিব উল্লেখ করেছিলেন, ‘দুবাই থেকে এমপি সেলিম ওসমান মোবাইল ফোনে জানান, নিতাইগঞ্জ ট্রাক স্ট্র্যান্ডে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হওয়ার সাথে সাথে বেশ কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি তার কাছে ফোন করে বিষয়টি অবহিত করেন।’

‘পাশাপাশি তারা বলেন, সিটি করপোরেশনের মেয়র ডাক্তার সেলিনা হায়াত আইভীর অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নিতাইগঞ্জে ট্রাক স্ট্যান্ড নিয়ে দীর্ঘ দিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটেছিল। কিন্তু ওই এলাকায় একজন কাউন্সিলরের লোকজন নিজেদের প্রভাব বিস্তার করতে সেখানে নিয়ম ভঙ্গ করে রাস্তায় ট্রাক রেখে লোড-আনলোড করে নতুন করে চাঁদাবাজি শুরু করেছে। মূলত এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করেই বিশৃঙ্খলাটি সৃষ্টি হয়েছে।’

‘সেলিম ওসমান আরো জানান, যে সকল ব্যাক্তিরা তাকে ফোন করে বিষয়টি অবহিত করেন তারা কেউ কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নয়। তারা সকলেই এলাকার সাধারণ জনগন। আর অভিযোগকারীরা ওই কাউন্সিলরের নাম উল্লেখ করেননি।’

কিন্তু কে সেই কাউন্সিলর? তা জানতে নিতাইগঞ্জে নেয়া হয় খোঁজ খবর। ব্যবসায়ী থেকে ট্রাক চালক শ্রমিকদের সাথে আলাপকালে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ব্যবসায়ী ও ট্রাক চালক শ্রমিক জানান, ‘নিতাইগঞ্জ ট্রাক স্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ ভার নিতে বহু আগে থেকেই নানা তৎপরতা চালিয়ে আসছিলেন নাসিক ১৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবু। যার প্রেক্ষিতে এই নিতাইগঞ্জের নিয়ন্ত্রণ ভার নিতে তিনি অন্য ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হওয়া সত্বেও ১৫ নং ওয়ার্ডের সীমানায় এসে শহরের জিমখানা আলাউদ্দিন খান স্টেডিয়াম সংলগ্ন সড়কের প্রবেশ পথে ট্রাক চলাচল বন্ধের লক্ষ্যে একটি গেট লাগান। কিন্তু কয়েকদিন পরেই সেই গেট খুলে দিয়ে উক্ত সড়কে মালামাল লোড-আনলোডের পরিবর্তে ট্রাক প্রতি ১শ’ থেকে ৩শ’ টাকা পর্যন্ত চাঁদা তুলতে বাবু বেশ কয়েকজন নিয়োজিত করেন। পরবর্তীতে উত্তোলনকৃত চাঁদার টাকার ভাগাভাগি নিয়ে নিজেদের মধ্যেই ঝগড়ার সৃষ্টি হওয়ার পর বাবু ফের গেট লাগিয়ে সেখানে লোড-আনলোড বন্ধ করে দেন।’

‘তারপর বাবুর ভগ্নিপতি আরমান আবার সেই গেট খুলে দিয়ে জিমখানা মাঠ সংলগ্ন সড়কে মালামাল লোড-আনলোডের জন্য বাবুর পিএস রিয়াদের নেতৃত্বে লোকবল নিয়োজিত করেন। ’

‘কিন্তু মেয়র আইভীর অনুরোধের প্রেক্ষিতে সাংসদ সেলিম ওসমান স্থানীয় প্রশাসন, ব্যবসায়ী, ট্রাক চালক, মালিক, শ্রমিক সংঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনা করে গত আগষ্ট মাস থেকে নিতাইগঞ্জ টু মন্ডলপাড়া ব্রীজ পর্যন্ত প্রধান সড়কে দিনের বেলায় মালামাল লোড-আনলোড বন্ধের নির্দেশনা দিয়ে শুধুমাত্র ‘টোকেন’ প্রাপ্তি সাপেক্ষে নির্ধারিত স্থান খালঘাটে মালামাল লোড-আনলোডের সিদ্ধান্ত জানানোর পর জিমখানা মাঠ সংলগ্ন সেই সড়কেও দিনের বেলায় লোড-আনলোড বন্ধ হয়ে যায়।’

স্থানীয়রা জানান, ‘এরপর সাংসদ সেলিম ওসমানের নির্দেশনা অমান্য করেই সেই জিমখানা মাঠ সংলগ্ন সড়কে দিনের বেলায় ট্রাক প্রবেশ করিয়ে মালামাল লোড-আনলোড শুরু করার চেষ্টা করেন, কথিত শ্রমিক নেতা শহীদ। যার বিনিময়ে স্থানীয় ট্রাক প্রতি ১শ’ ও অন্য জেলার ট্রাক প্রতি ২ থেকে ৩শ’ টাকা চাঁদা আদায় করা হতো। ’

‘কিছুদিন পর বিষয়টি উপলব্ধি করতে পেরে দিনের বেলায় এখানে মালামাল লোড-আনলোড না করাতে শহীদকে কয়েককার নিষেধ করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা ট্রাক, ট্যাঙ্ক লরী ও কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মাসুদুর রহমান মানিক। কিন্তু তাতে কোন কর্ণপাত করেনি শহীদ।’

‘তারপর সেই সড়কে অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ জেলা ট্রাক, ট্যাঙ্ক লরী ও কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয়ে একদিন সকালে হঠাৎ চলে আসেন সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মীর শাহীন শাহ্ পারভেজ। তখন উক্ত সড়কে অবস্থানরত কয়েকটি ট্রাক থেকে মালামাল লোড-আনলোডের দৃশ্য দেখে ওসি তাৎক্ষনিক ট্রাকগুলো সেখান থেকে সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দেন। আর পুনরায় যেন কেন নির্দেশ অমান্য করে এখানে মালামাল লোড-আনলোড করতে না পারে সেজন্য শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মাসুদুর রহমান মানিককে দেখভালের অনুরোধ জানান।’

পরবর্তীতে শহীদ উক্ত সড়কে দিনের বেলায় ঝামেলাহীন ভাবে ট্রাক রেখে মালামাল লোড-আনলোডের স্থায়ী ব্যবস্থা করতে নাসিক ১৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবুর দ্বারস্থ হন। তারপর শহীদ উক্ত সড়কে লোড-আনলোডের বিনিময়ে প্রতিমাসে বাবুকে ৩০ হাজার টাকা করে চাঁদা প্রদানের আশ^াস দিয়ে তাৎক্ষনিক বাবুর হাতে নগদ ১০ হাজার টাকা তুলে দেন বলে বিশ^স্ত সূত্রে জানাযায়।

তারপর সেলিম ওসমানের নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে শেল্টারদাতা হিসেবে কাউন্সিলর বাবু তখন শহীদকে উক্ত সড়কে মালামাল লোড-আনলোডের নির্দেশ দেন। এরপর থেকে শহীদ উক্ত সড়কে ট্রাক রেখে মালামাল লোড-আনলোডের চেষ্টা করতে থাকেন আর খবর পেয়ে শ্রমিক নেতা মানিক এসে তাতে বাঁধা দিতেন।

এরপর এনিয়ে মানিকের প্রতি একধরনের ক্ষোভ বিরাজ করতে থাকে শহীদের মনে। তারপর গত ৯ অক্টোবর সকালে টোকেন ছাড়াই অলি নামক এক ট্রাক চালক নিতাইগঞ্জে তার গাড়ী প্রবেশ করানোর কারনে বলদেব জিউর আখড়ার সম্মুখে ‘টোকেন’ দেখভালের দায়িত্বে থাকা একজন সিনিয়র ট্রাক ড্রাইভার তার গাড়ীটি অন্যত্র সরিয়ে নিতে বলেন। তখন উভয়ের মধ্যে বাক বিতন্ডা চলার একপর্যায়ে কাকতালীয় ভাবে উক্ত সড়ক দিয়ে অফিসে যাওয়ার পথে শ্রমিক নেতা মানিক রিকশা থেকে নেমে অপরাধের কথা শুনে অলিকে থাপ্পর মেরে শ্রমিক ইউনিয়নের সামনে নিয়ে যান। সেই সময় কথিত শ্রমিক নেতা শহীদ অলিকে শাসনের দৃশ্য দেখে মানিককে উদ্দেশ্য করে উত্তেজনাকর মন্তব্য করেন। এরপর মানিক অলিকে ছেড়ে শহীদকে ধরে থাপ্পর মারেন।

আর সেই সংবাদ শুনে আড়ালে থেকে কলকাটি নাড়তে শুরু করে দেন কাউন্সিলর বাবু ও শফিউদ্দিন প্রধান। তারপর দ্বিতীয় দফায় দুপুরে কাউন্সিলর বাবুর সমর্থক রাজন নামে আরেক শ্রমিক এসে ‘টোকেন’ ছাড়াই সড়কে ট্রাক রেখে মালামাল লোড-আনলোডের হুংকার দেন। তখন স্থানীয় ট্রাক চালক শ্রমিকরা ক্ষিপ্ত হয়ে রাজনকে উত্তম-মধ্যম দিতে থাকলে সংবাদ পেয়ে ফের ঘটনাস্থলে আসেন মানিক।

হুংকার দেয়ায় রাজনকে শাসন করেন, তন্মধ্যে ঘটনাস্থলে এসে কাউন্সিলর বাবু হাজির হয়ে রাজনকে ছেড়ে দিয়ে আপোষ মীমাংসার প্রস্তাব দেন। তখন সেখানে উপস্থিত মানিক অনুসারী শ্রমিকরা বাবুর প্রতি ক্ষুব্ধ হতে থাকলে, পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ‘টোকেন’ ছাড়া যেই সকল ট্রাক চালক শ্রমিক নিতাইগঞ্জে প্রবেশ করে, তাদের একত্রিত করে লাঠিসোঠা হাতে উত্তেজিত হয়ে মানিক ও মুন্নার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে নানা শ্লোগান দিতে শুরু করেন।

আর ততক্ষণে কয়েকজন সংবাদকর্মীকে খবর দিয়ে ঘটনাস্থলে যেতে বলে কাউন্সিলর শফি উদ্দিন প্রধান নারায়ণগঞ্জ জেলা ট্রাক, ট্যাঙ্ক লরী ও কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতির পক্ষে নিতাইগঞ্জে আসেন। এরপর শফিউদ্দিন মানিককে কোন একস্থানে দাওয়াত অনুষ্ঠানে যাওয়ার পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে মানিক ঘটনাস্থল ত্যাগ করলেও শফিউদ্দিন রাজনৈতিক খেলা শুরু করেন।

তিনি সেদিন গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে উল্টো মানিকের প্রতি বিষেদাগার করে শ্রমিক ইউনিয়নের নতুন নির্বাচন আয়োজনের দাবী করেন।

তারপর নিতাইগঞ্জের দেখভালের দায়িত্ব নিতে সাংসদ সেলিম ওসমান মেয়র ডা: সেলিনা হায়াত আইভীকে আহ্বান জানানোর পরেরদিন, কাউন্সিলর শফি মালিক সংগঠনের পাশাপাশি শ্রমিক সংগঠনের দায়িত্বও নিজের নিয়ন্ত্রণে আনতে কাউন্সিলর বাবুর নিয়ন্ত্রিত সেই কথিত শ্রমিক নেতা শহীদসহ রাজন, তৌহিদদের নিয়ে নতুন নির্বাচন, শ্রমিকের টাকার হিসাবসহ ৫ দফা দাবী বাস্তবায়নে মেয়র আইভীর কাছে নারায়ণগঞ্জ জেলা ট্রাক, ট্যাংলরী ও কর্ভাডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের প্যাাডে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

যেই স্মারকলিপিতে নতুন নির্বাচন, শ্রমিকের টাকার হিসাব, লোকাল গাড়ী প্রবেবশর পারমিশন, সকল দূর্নীতিবাজদের বিতাড়িত নতুন কল্যান সমিতি করার দাবী জানানো হয়।

এদিকে, অভিযোগের ব্যাপারে জানতে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ১৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শফিউদ্দিন প্রধানের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ব্যবহৃত মুঠোফোনটি ব্যস্ত পাওয়া যায়।

আর নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ১৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবুর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here