নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি : ধামগড় ইউনিয়নের সর্ব সাধারণের সাথে উন্নয়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৯ ফেব্রুয়ারী ( শুক্রবার ) বিকেলে বন্দর উপজেলার ধামগড় ইউনিয়নের গোকুলেরবাগস্থ জামেয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা মাঠে এ আয়োজন করা হয়।

ধামগড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুম আহম্মেদ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন – নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম ওসমান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে সেলিম ওসমান বলেন, ‘ আমার এলাকায় কাঁচা রাস্তা থাকবে না। ভাই মারা যাওয়ার পর মা নির্বাচন করতে বললেন। তখন প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের বাহিরে ছিলেন। মোবাইলে আমাকে বলেছিলেন নির্বাচনের জন্য। আমি তখন বলেছিলাম, নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগের জন্ম, এখানের সব সিট নৌকায় হওয়া দরকার। চন্দনশীল, বাদল, খোকন সাহা সন্তানের মতো। নিজাম, হেলাল, সাজনু, নিপু অনেক সময় তারা পার করেছে। শামীম ওসমান সংসদ সদস্য হতে পারলে তারাও পারবে। বাদলকে আগামীতে মেয়র নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিতে বলেছি’।

মেয়র আইভীকে ইঙ্গিত করে সেলিম ওসমান আরও বলেন,  ‘কে কি বললো সেদিকে কান নয়। নির্বাচন তোমাদের করতে হবে। পরিবর্তন করতে হবে। আমার যদি মৃত্যুও হয়, আমি বিশ্বাস করি আমার ৭ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে কাজ করবে, যাতে তাদের এলাকায় সবাই শিক্ষিত হয়। আমি ডান হাত দিয়ে দান করলে বাম হাত জানে না। আমি সরকারি টাকায় করে নিজের নাম করি না। রাগ করার কিছু নেই। আমরা টেক্স দিয়েছি উন্নয়ন করে দিতে আপনি বাধ্য। শেখ হাসিনা যেমন দিক নির্দেশনা দিয়েছেন তেমন ভাবে কাজ করছি। আমার উপরে আছর করছেন কেন? আমার উপর আছর করার তো কোন কারণ নাই। আপনার বাবার সম্মানে আপনাকে চেয়ারম্যান করা হয়েছে। খোঁচাখুঁচি কইরেন না। দাদা বলতো, তুমি তো দামরা দেখছো ষাঁড় দেখো না। আমাকে গালি দিবে, আমি উন্নয়ন থেকে ব্যাহত হবো, এটা তার চাল। রাজনীতিতে শেষ কথা নাই। চেয়ারম্যানদের বলতে চাই, অতীতের ভুল ত্রুটি থাকলে ক্ষমা চেয়ে নেন। সেলিম ওসমানের ক্ষমতা নেই কাউকে নমিনেশন দেয়ার। জনগণের ভোটেই আপনাদের নির্বাচিত হতে হবে। সেলিম ওসমান কারো কাছে হাত পাতে না, মাথা নত করে না’।

সভাপতির বক্তব্যে মাসুম চেয়ারম্যান বলেন, ‘ আমাকে যারা বিগত বছরে উন্নয়নে সহযোগিতা করেছেন তাদের কৃতজ্ঞতা। আমার ইউনিয়নে এমপি সেলিম ওসমান মহোদয়ের তুলনায় উন্নয়ন করেছি। আমার চলার পথে কোন ভুল ১৯৬৪ থেকে আজ অবদি ধামগড় ইউনিয়নের ভবন জরাজীর্ণ ছিল। কিন্তু আমরা এমপি সেলিম ওসমান, ইউএনও সহ আরও অনেকের সহযোগিতায় ৩২ শতাংশ জায়গা ইউনিয়ন পরিষদের জন্য পেয়েছি। এখানে কোন হাই স্কুল ছিল না, এমপি মহোদয়ের কাছে আমি হাই স্কুল চেয়েছি, তিনি ব্যক্তিগত অর্থায়নে আমার ইউনিয়নে করে দিয়েছেন। এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হলে শেখ হাসিনাকে বার বার ক্ষমতায় আনতে হবে। আগামী প্রতিটা ঘরে ঘরে আর্সেনিক মুক্ত কল দেয়ার ব্যবস্থা করবো। সেলিম ওসমানের কাছে দাবি ৬ নং ওয়ার্ডে একটি প্রাইমারী স্কুল দাবি করছি। ধামগড়ে বড় খেলার মাঠ নেই, আমার বাচ্চাদের জন্য এখানে খেলার মাঠ করে দেন’।

অনুষ্ঠানে বন্দর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ রশিদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত মো শহীদ বাদল ( ভিপি বাদল ), জেলা জাতীয় পার্টি সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক সানাউল্লাহ সানু, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বাবু চন্দনশীল, সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট খোকন সাহা, কলাগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার প্রধান, মহানগর জাতীয় পার্টি সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব আফজাল হোসেন সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here