নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি, ফতুল্লা প্রতিনিধি: ফতুল্লা মডেল থানা ও জেলা ডিবি পুলিশের সোর্স পারভীন ওরফে নাইট পারভীন (৩৫)কে পিটিয়ে ডান পা ভেঙ্গে চাকু দিয়ে জিহ্বা কেটে ফেলেছে ডাকাত লিপু ওরফে বোমা লিপু, ডাকাত শাহীন, শেফালী গংরা।
এ ঘটনায় পারভীন ফতুল্লা মডেল থানায় বৃহস্পতিবার বিকেলে মামলা দায়ের করেছে লিপুসহ ৬ আসামীকে অভিযুক্ত করে ।

এলাকাসূত্রে জানাযায়, ফতুল্লার পিলকুনি এলাকার মো.শহীদ জোমাদ্দারের মেয়ে পারভীন কে গত ১৫ বছর আগে ভালাবাসার সম্পর্ক করে লিপু ওরফে ডাকাত লিপু বিবাহ করেছে। বিয়ের পর তার সংসারে ২টি সন্তান জন্ম নেয়। লিপু নেশা করে আবার নেশা বিক্রি করে আসছে। সে ফতুল্লা মডেল থানাসহ বিভিন্ন থানার দাগী আসামী। পুলিশের সোর্স এর কাজ করে পারভীন ওরফে নাইট পারভীন দেড় শতাংশ জায়গা কিনে নিজের নামে দলিল করেছে। এই জমি বিক্রি করে লিপুর পরিবার লিপুর মামলা চালাতে বলে। এতে পারভীন রাজি না হওয়ায় লিপু ও তার ভাই ডাকাত শাহীন নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করে আসছে।

গত ৫ সেপ্টেম্বর রাত ১২ টায় লিপু ওরফে ডাকাত লিপু(৪০),তার ভাই ডাকাত শাহীন(৩৫), শুক্কুর আলী (২৫) বড় বোন শেফালী বেগম (৪৬) তার ছেলে জহিরুল ইসলাম (২০) মিলে পারভীনকে হকস্টিক দিয়ে পিটিয়ে ডান পা ভেঙ্গে ফেলে। এরপর শরীরের বিভিন্ন জায়গায় পিটিয়ে রক্তক্ত জখম করেছে। তার জিহ্বা টেনে পাষন্ড স্বামী ডাকাত লিপু, ও শাহীন জহির গংরা চাকু দিয়ে কেটে ফেলে। এসময় চিৎকার করলে আসে পাশের লোকজন এসে পারভীনকে বাঁচায় তাৎক্ষনিক নারায়ণগঞ্জ খানপুর তিনশ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে যায়। ১৪ সেপ্টেম্বর চিকিৎসা শেষে পারভীন ফতুল্লা মডেল থানায় এসে মামলা দায়ের করে লিপু সহ ৬ জনকে আসামী করেছে।

এলাকাবাসী আরো জানান, লিপু শাহীন, ওতা পরিবারইপলকুনি এলাকার মধ্যে একটি ক্রাইম পরিবার। পারভীনও মাদক ব্যবসা করে এবং পুলিশের সোর্সের কাজ করে। ডাকাত লিপু নারায়ণগঞ্জ থাকায় আরেক মাদক বিক্রেতা জনুর সাথে সে বিবাহ বসে। এই নিয়ে লিপুর মধ্যে দ্বন্দ এমনটাই বলছে এলাকার অনেকেই। সেও স্বামী সন্তান রেখে পুলিশের সাথে আসামী ধরার জন্য বিভিন্ন জেলা থানায় চষে বেড়ায়। এই নিয়েও তাদের মধ্যে দ্বন্দ চরমে ছিল।

লিপুর পরিবার জানান, পুলিশের হুমকী দিয়ে লিপুকে বেশ কয়েকবার হাজত খাটিয়েছে এই পারভীন । এমনকি জনুকেও সে হয়রানি করেছে ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here