নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: শ্রদ্ধা, ভালবাসা, সম্মান প্রদর্শন আর আনন্দ উৎসবের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উদযাপনে একটি দিন উৎস্বর্গ করলো নারায়ণগঞ্জবাসী।
কারন, শনিবার (১৭ মার্চ) ছিল বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯ তম জন্মদিবস ও জাতীয় শিশু দিবস। অর্থাৎ, ১৯২০ সালের এইদিন যার জন্ম না হলে হয়তো বাঙালী জাতি এই স্বাধীন বাংলার স্বপ্ন দেখারই সুযোগ পেতো না। লাল সবুজের মানচিত্রে বিশ্ব দরবারে যেই নামটি (বাংলাদেশ) আজ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে, হয়তো সেটিও সম্ভব হতো না যদি বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হতো!

১৯৭১ সালের মার্চে জাতির অবিসাংবাদিত এই নেতা মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছিলেন বলেই, সেইদিন পরাধীনতার শৃঙ্খলতা ভেঙ্গে অস্ত্র হাতে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল নারী পুরুষ লাখো জনতা। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর অর্জিত হয়েছিল স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশ।

তাই তো, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উদযাপনে তাকে স্মরণের মাধ্যমে একটি দিন উৎস্বর্গ করলো নারায়ণগঞ্জের আমজনতা।

বিশেষকরে, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণের মাধ্যমে তাকে সম্মান প্রদর্শন করে উৎস্বর্গকৃত দিনটির শুভারম্ভ করে সর্বস্তরের জনতা।

সকাল সাড়ে ৮ টায় নগরীর চাষাড়াস্থ বিজয় স্তম্ভে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর অস্থায়ী প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তর্বক অর্পণ করেন জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, এমপি, রাজনীতিবিদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।

এরপর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সামনে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ৯৯ পাউন্ডের কেক কাটাসহ অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনে অনুষ্ঠিত হয় শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা। যেখানে পুরস্কার বিতরন করেন মেয়র ডা: সেলিনা হায়াত আইভী।

নারায়ণগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ও বন্দর সমরক্ষেত্রে ৫শ’ পাউন্ডের কেক কাটেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের এমপি সেলিম ওসমান।
সরকারী তোলারাম কলেজে খ্যাতিমানদের দেয়াল চিত্র উদ্বোধন করে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে দোয়া মোনাজাত করেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ শামীম ওসমান।

নারায়ণগঞ্জ রাইফেলস্ ক্লাবে শিশুদের অনুষ্ঠিত চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরন করা হয়।

এছাড়াও বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় ব্যাক্তি উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষ্যে কেক কাটা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। আর মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মন্দিরে অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ প্রার্থণা সভা। পাশাপাশি সরকারী হাসপাতাল, জেলা কারাগার, এতিম খানায় পরিবেশন করা হয় উন্নতমানের খাবার। চাষাড়া কেন্দ্রীয় পৌর শহীদ মিনারে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here