নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: প্রতি বছর ঘুরে সকল মুসলমানদের জন্য ফিরে আসে ঈদ। আর এই ঈদ উদযাপন করতে ঈদের আগের দিন চাঁদ রাতে মহিলাদের প্রথম চাহিদা হয়ে থাকে রং বেরং এর ডিজাইনে হাতে মেহেদী পরা। বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে রয়েছে এই মেহেদীর ব্যাপক চাহিদা।
জীবন ও জীবিকার তাগিদে মানুষকে বেঁছে নিতে হয় কোন না কোন কর্ম অথবা পেশা। নিজের পরিবার পরিজনদের মুখের আহার জোগার করতেই মানুষ সংগ্রাম করে অর্থ উপার্যন করে। এমনই একজন এমদাদ হোসেন। যিনি দীর্ঘ ৮ বছর ধরেতার হাতে বাটা মেহেদী বিক্রি করে আসছেন।

শহরের ৪নং ডিআইটি মোবারক শাহ্ মাজার সংলগ্ন ছোট একটি দোকান পসরা সাজিয়ে এমদাদ হোসেন তার বাটা মেহেদী বিক্রি করছেন।

শুক্রবার (১৬ জুন) এমনই চিত্র দেখা গেছে নগরীতে। ‘এমদাদ ভাইয়ের বাটা মেহেদী’ নামে একটি দোকান পাওয়া গেল শহরের ডিআইটি মোবারক শাহ্ মাজার সংলগ্ন এলাকায়। যুবতী-বৃদ্ধাসহ সকলের অতিপ্রিয় মেহেদী। শহরের জিমখানা বস্তি, র‌্যালী বাগান, ১নং ও ২নং বাবুরাইল সহ অনেকই আসেন এমদাদ হোসেন এর এই বাটা মেহেদী কিনতে।

জিমখানা এলাকার রহিমা বেগম এমদাদ হোসেন এর বাটা মেহেদী কিনতে তার দোকানে এলে কথা হয় তার সাথে। এ সময় রহিমা বেগম নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডিকে জানান, তিনি দীর্ঘ ৮ বছর ধরে এমদাদ হোসেনের এই বাটা মেহেদী কিনে আসছেন। এই মেহেদী খুবই ভাল মানের হাতে বাটা মেহেদী।

তিনি আরো জানান, শুধু আমি না, অনেক মানুষ এখান থেকে এই বাটা মেহেদী কিনেন। আমরা গৃহিনীরা সারাদিন অনেক কর্মব্যস্ত দিন কাটাই। আবার অনেকে মেহেদী বাটতে পারেন না বা ঝামেলা মনে করেন। তাদের জন্য এই বাটা মেহেদী প্রয়োজন।

এমদাদ হোসেন জানান, স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে মোটামুটি ভালভাবে তিনি তার সংসসার চালাচ্ছেন। দীর্ঘ ৮ বছর ধরে তার হাতে বাটা এই মেহেদী সকলের কাছে ব্যাপক চাহিদা অর্জন করেছে। তিনি তার এই ব্যবসাটি ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত করতে চায়। পাশাপাশি এমদাদ হোসেন তার ছোট্ট দোকানটিতে ‘মেহেদী টেইলার্স’ নামে অপর একটি দরজী দোকানও পরিচালিত করছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here